গনতান্ত্রীক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ভোট অপরিহার্য আর ভোটার তার পরিপূরক। তাই ভোটকে যে পরিমাণ মূল্যে দিবেন তার থেকে বেশি মূল্যও করবেন ভোটারকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এর আগে অনেকগুলো বিশ^দ্যিালয়ে নির্বাচন হয়েছে সেখানে দেখবেন বিএনপি পন্থীদের বিশাল ভোরাডুবি হয়েছে। তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এ সর্বোচ্চ শতর্ক ও কৌশলী হতে হবে তা না হলে এর মূল্য দিতে হবে আগামী ৫ বছর। গত ১৫ বছর ( ২০০৯, ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪ সালের) নির্বাচনে নতুন ভোটার ছিল কিন্তু তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি কারণ ভোট ব্যবস্থা ছিল একটা গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি। তাই ২০০৯, ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪ সালের সকল ভোটাররা ২০২৬ এর নির্বাচনের সকল নতুন ভোটার কারণ তার তিন নির্বাচনে কোন ভোট দিতে পারেনি। তাই এই সব ভোটারদেরকে মূল্যায়ন করতে হবে। ২০২৬ সালের নির্বাচনটা এমন পরিবেশে হতে হবে যেনো মনে হয় আনন্দ ও উৎসব মূখর পরিবেশে ভোট হচ্ছে। তাহলে বিগত তিন নির্বাচনের কথা ভুলে গিয়ে নতুন উদ্দ্যোমে ২০২৬ সালের নির্বাচন গ্রহন করবে। ভোটের আগে দেয়া সকল প্রতিশ্রুতিগুলো পালন করতে হবে সুন্দরভাবে। নির্বাচনী প্রচারোনার সাথে সাথে কথাবার্তা ও কাজ কর্মে অনেক কৌশলী হতে হবে। আমি মনে করি বিশ^বিদ্যালয় গুলোর নির্বাচনে বিএনপি পন্থী প্রার্থীরা হেরেছে শুধুমাত্র কৌশলের কাছে। তাই কৌশল যেমন রপ্ত করতে হবে তেমনি কৌশলীকে পতিহত করতে হবে। লক্ষ্য করে থাকবেন কিছু দল কৌশলে ধর্মের দোহায় দিয়ে বাড়ি বাড়ি নারী প্রতিনিধি পাঠিয়ে নারী ভোটারদের কাছে সুকৌশলে ভোট চাচ্ছে। কারণ মোট ভোটারের অর্ধেক নারী ভোটার। আমার মনে হয় এখানে বিএনপি অনেক পিছিয়ে আছে। তাই ২০২৬ সালের নির্বাচন হবে কৌশলগত নির্বাচন। আরো মনে রাখবেন নির্বাচনী প্রচারনায় যে প্রতিশ্রুতি দিবেন তা নির্বাচনের পরে পালন করবেন। কারণ নির্বাচনের পরের নেতা হবেন না হতে হবে জনগনের নেতা নতুবা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ও যধাব ধ ঢ়ষধহ ভড়ৎ সু পড়ঁহঃৎু কে একা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তার প্লান ১৮ কোটি মানুষকে নিয়ে। তাই এই ১৮ কোটি জনগনের যে ৩৫০ জন প্রতিনিধি থাকবে সবাই এই প্লান বাস্তবায়ন করতে সহযোগিতা করতে হবে। এই প্লান এর মধ্যে জনগনের সুন্দর জীবন যাপন, চিকিৎসা, শিক্ষা, নিরাপদ খাদ্য সহজ লভ্য পাওয়া, রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ইত্যাদি রয়েছে। তাই এই প্লান বাস্তবায়নে এই দেশের জনগনের সাথে সুন্দর ব্যবহার, চাঁদা মুক্ত ও সন্ত্রাস মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সহযোগিতা করতে হবে নির্বাচনী প্রতিনিধিকে। তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে নির্বাচনের আগে ও পরে মূল্যায়ন করে তারেক রহমানকে সহযোগিতা করতে হবে। নির্বাচনের প্রতিনিধিকে এমন হতে হবে ভোটের জন্য জনগনের কাছে যাওয়ার আগে ভোটারগন যেন নিজ থেকে ভোট দিতে আসে সেই রকম ব্যবহার ও সহযোগিতা করতে হবে। রাজনীতি নিজের জন্য নয় যা রাষ্ট্র ও জনগনের জন্য হতে হবে। রাজনৈতিক নেতা কর্মীর মাধ্যমে তারেক রহমানের ৩১ দফা ও ও যধাব ধ ঢ়ষধহ বাস্তবায়নে সকলকে সঠিক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে রাষ্ট্র ও জনগন উভয়ই সুফল পাবে।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন