বিপ্লব তালুকদার খাগড়াছড়ি : খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়া প্রায় লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন এই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।
পাহাড়ের সনাতন সম্প্রদায়ের মধ্যে এখন চলছে আনন্দ-উল্লাসের ঢেউ। সে সঙ্গে সবার একটাই চাওয়া প্রত্যাশা ও অপেক্ষা, খাগড়াছড়ি আসনের এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া যেন সনাতনী সম্প্রদায়ের নেতা অশোক মজুমদার,কে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য করেন।
ওয়াদুদ ভূইয়া পূর্বে ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালে নির্বাচিত হলে তাঁকে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড-এর চেয়ারম্যান করা হয়। তার দায়িত্বকালে পাহাড়ে পর্যটন শিল্প, শিক্ষা, অবকাঠামো, সড়ক, কৃষি ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হয়।
খাগড়াছড়ি সনাতনী সমাজের দাবি, একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতৃত্ব হিসেবে অশোক মজুমদারকে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য দেওয়া হলে পাহাড়ের সনাতনী সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি রক্ষার পাশাপাশি সনাতন সম্প্রদায়ের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে। এবং বিএনপির একজন অভিজ্ঞ সনাতনী রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তাঁকে সদস্য করা হলে পাহাড়ে সনাতনীদের উন্নয়ন সম্ভব।
অনেক প্রত্যাশা নিয়ে খাগড়াছড়িতে এইবার সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষ ওয়াদুদ ভূইয়াকে বিপুল ভোট দিয়েছেন এবং সকল সম্প্রদায়ের বিপুল ভোটের ব্যবধানে ওয়াদুদ ভূইয়াকে নির্বাচিত করেছেন। সনাতনীরা আশা করছেন, নবনির্বাচিত এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া তাকে জেলা পরিষদ সদস্য আসনে বসিয়ে সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রত্যাশা পূরণ করবেন।
র্দীঘ আওয়ামীলীগ সরকারের আমল থেকে জেল-জুলুম, হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন অশোক মজুমদার । সব কিছু করেও তাকে কোনভাবে দমাতে পারেনি। তার দীর্ঘ ত্যাগের স্বীকৃতি এইবার পাবেন বলে আশা করছেন সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন ।
পাহাড়ের সনাতনীদের প্রত্যাশা, যোগ্য নেতৃত্বকে যোগ্য স্থানে দায়িত্ব দিলে পার্বত্য চট্টগ্রামের অবহেলিত সনাতনী পল্লীগুলোতে অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন