বিপ্লব তালুকদার , খাগড়াছড়ি; এসএসসি (মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট) পরীক্ষার ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ৩০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ১ হাজার ২৫২ পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী অর্পন দে।
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিন সকাল থেকেই দুশ্চিন্তায় ছিল অর্পন দে। ইন্টারনেটে ফলাফল দেখা নিশ্চিত হয় নিজের ফলের বিষয়ে।
অর্পন দে বলেন, ‘ভালো ফল হবে আশা করেছিলাম। তবে নম্বর কেমন আসবে, তা নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। নম্বর দেখার পর নিজেরই অনেক ভালো লেগেছে।’
খাগড়াছড়ি শান্তিনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন অর্পন ও তার পরিবার। অর্পনবের বাবা অরবিন্দু চন্দ্র দে (বাবুল) একজন ব্যবসায়ী মা শিখা দে গৃহিণী। অর্পন দে পৈতৃক বাড়ি খাগড়াছড়ি দিঘীনালা উপজেলায়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহায়তা; এই ফলাফলের অন্যতম শক্তি বলে মনে করে অর্পন এর পরিবার। স্কুলের বিভিন্ন শিক্ষকও জানিয়েছেন, অর্পন নিয়মিত ও মনোযোগী শিক্ষার্থী ছিল। কোনো বিষয়ে আটকে গেলে প্রথমেই শিক্ষকদের কাছে যেত।
অর্পন এর বাবা অরবিন্দু চন্দ্র দে (বাবুল) বলেন, ‘ছেলে নিয়মিত স্কুলের দিকনির্দেশনা মেনেই পড়াশোনা করেছে। শিক্ষকেরা ছিলেন খুব আন্তরিক। ঘরে আমরা শুধু খেয়াল রেখেছি ওর পড়ালেখার পরিবেশটা ঠিক আছে কি না।
রেজাল্ট নিয়ে আনন্দিত নিবিড়ের মা শিখা দে। তিনি বলেন, ‘ওকে কখনো চাপ দিইনি। নিজে থেকেই পড়াশোনায় আগ্রহী ছিল। রচনা প্রতিযোগিতা, অলিম্পিয়াডসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমেও অংশ নিত। এসব জায়গায়ও আমরা ওকে উৎসাহ দিয়েছি।’
বিদ্যালয় সূত্র জানায়, অর্পন দে ছাড়াও খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের এসএসসির সব শিক্ষার্থীকে শিক্ষকেরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখেছেন। তাদের যেকোনো বিষয়ের সমস্যার সমাধান করেছেন শিক্ষকেরা।
অর্পন বলেন, ‘প্রতিটি পরীক্ষা শুরুর আগে নার্ভাস হয়ে যেতাম। প্রশ্ন কেমন আসবে, তা নিয়ে। মা-বাবা ও শিক্ষকেরা সব সময় অভয় দিতেন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ—সবার চেষ্টায় আজ এখানে আমি।’
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন