মুশতাক আহমেদ,পবিপ্রবি প্রতিনিধি : পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড মো. সামসুজ্জোহা জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ “ন্যাশনাল সেমিনার অন ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্স (এনএসসিডিআর-২০২৬)”–এ কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালানোর জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন।
১১ এপ্রিল (শনিবার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি বিকাল ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত
অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আশিকুর রহমান, পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের প্রথম ব্যাচের অ্যালামনাই সাদ বিন ইসলাম ও এম এস শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ঐশী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনাররবিলিটি স্টাডিস (আইডিএমভিএস) এবং সেন্টার ফর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এডুকেশন, রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (ডিএমইআরটি)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সেমিনারে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
সেমিনারে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, অভিযোজন কৌশল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, নগর দুর্যোগ ঝুঁকি, মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এবং পরিবেশ ও ইকোসিস্টেমভিত্তিক সমাধানসহ মোট ৯টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
কারিগরি অধিবেশন-৩–এ কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অধ্যাপক ড মো: সামসুজ্জোহা বিভিন্ন গবেষণাপত্র উপস্থাপনার ওপর মূল্যবান মতামত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তাঁর অভিজ্ঞতা ও গবেষণাভিত্তিক বিশ্লেষণ সেশনের আলোচনা সমৃদ্ধ করেছেন।
এ বিষয়ে অধ্যাপক ড মো: সামসুজ্জোহা বলেন,”ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভলনারেবিলিটি স্টাডিজ আয়োজিত ‘ন্যাশনাল সেমিনার অন ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্স’-এর টেকনিক্যাল সেশনে কো-চেয়ার হিসেবে অংশ নিয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করা হয়; এতে দেশি-বিদেশি শিক্ষক, বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা নেটওয়ার্ক ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে”।
উল্লেখ্য, জাতীয় পর্যায়ের এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারে পবিপ্রবির একজন অধ্যাপকের কো-চেয়ার হিসেবে সম্পৃক্ততা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণামুখী অগ্রযাত্রা এবং জ্ঞানভিত্তিক অবদানকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন